দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদীর ভাঙ্গনে ৬টি বসতঘর নদী গর্ভে বিলীন, শতাধিক ঘর-বাড়ি ঝুঁকিপূর্ণ

রাজেশ গৌড় রাজেশ গৌড়

দুর্গাপুর,নেত্রকোনা

প্রকাশিত: ৬:৩৯ পূর্বাহ্ণ, জুন ৬, ২০২০

রাজেশ গৌড়
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে টানা ভারী বর্ষণ ও মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কুল্লাগড়া ইউনিয়নের ৩টি গ্রামের ৬টি বসত ঘর সোমেশ্বরী নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায়। নদীর পাড় ঘেঁষে গড়ে ওঠা ওইসব বসতিদের নিজেদের ঘর নিজেরাই ভেঙে নিয়ে যাচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। আজ শনিবার দুপুরে ভাঙনকবলিত এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার কুল্লাগড়া ইউনিয়নের ভুলিপাড়া,বড়ইকান্দি,খামারখালী গ্রামের সোমেশ্বরী নদীর পানির প্রবল স্রোতে নদীর পাড় ভেঙে যায়। ওই গ্রামের অসংখ্য পরিবার নদীর পারে বসবাস করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। নদী ভাঙনের ফলে ভুলিপাড়া,বড়ইকান্দি,খামারখালী গ্রামের পুরো অংশই নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। হঠাৎ বন্যার পানির আগমনে নদীর পাড়ে বসতিরা পড়েছে বিপাকে। নদীর পাড়ের পানির প্রবল ¯্রােতে নিচ দিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়ে দেবে যাবে অনেকের ঘর-বাড়ি। ঝুঁকিতে আছে এলাকার বেশ কয়েকটি বিদ্যালয় সহ মজজিদ মন্দির গীর্জা গুলো ভয় ও আতঙ্ক নিয়ে বেশ কয়েকটি পরিবার তাদের ঘর-বাড়ি ভেঙে নিয়ে গেছে। চরম ঝুঁকিতে রয়েছে অসংখ্যা ঘরবাড়ি। যেকোন সময় নদী গর্ভে তাদের ঘরবাড়ি বিলিন হতে পারে বলে আতঙ্কে রয়েছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ দীর্ঘদিন যাবত সেখানে কেনো নদী রক্ষা বাঁধ নির্মান হয়নি । জরুরী ভিওিতে উর্দ্ধতন কৃর্তপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন গ্রামবাসীরা ।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সুব্রত সাংমা তাৎনিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভাঙন কবলিতদের পাশে থেকে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এসময় ইউপি মেম্বার শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও ফারজানা খানম জানান, সোমেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর পাড় ভেঙে বেশক’টি ঘর বিলিন হয়ে গেছে খবর পেয়েছি। তবে আমি সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টি দেখে উর্দ্ধতন কর্তৃপরে সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশ্বাস দেন তিনি।