বাগেরহাটে মৎস্য চাষিদের ক্ষতি ৫৫ কোটি টাকা

প্রকাশিত: ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৯, ২০২১

গত দেড় বছরে শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাগেরহাটের মৎস্য চাষিদের ৫৫ কোটি ২২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এর মধ্যে ২০২০ সালের মে মাসে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ৫ কোটি ৭১ লাখ; আম্পানের পাঁচ মাস পড়ে অক্টোবরে অতিবৃষ্টিতে ৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকার ক্ষতি হয় মৎস্য চাষিদের।
আর ২০২১ সাল শুরুই হয় মৎস্য চাষিদের ক্ষতির মধ্য দিয়ে। এ বছরের মে মাসের শেষের দিকে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে বাগেরহাটে ক্ষতি হয় প্রায় ১০ কোটি টাকার। আর জুলাই-আগস্টে দুই দফায় অতিবৃষ্টি ও প্রবল জোয়ারে ক্ষতি হয় ৩৪ কোটি ১৬ লাখ টাকার।
শনিবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২১ উপলক্ষে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানায় মৎস্য অধিদপ্তর।

সভায় ক্ষয়-ক্ষতির তথ্যের পাশাপাশি ইতিবাচক তথ্যও দিয়েছেন সংস্থাটি। মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী ২০২০-২১ অর্থ বছরে বাগেরহাটে ১ লাখ ২১ হাজার ৬০১ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হয়েছে। যা খুলনা বিভাগের মোট উৎপাদিত মাছের ১৭ শতাংশ। এছাড়াও ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে বাগেরহাট জেলা মৎস্য বিভাগের ইতিবাচক ভূমিকা রয়েছে।

মৎস্য বিভাগ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বাগেরহাটে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় বাগেরহাটে চিংড়িসহ বিভিন্ন মাছ চাষ বিষয়ক নানা সমস্যা, সুবিধা-অসুবিধা ও সমস্যার সামাধানের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বাগেরহাট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এএসএম রাসেল, বাগেরহাট সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ফেরদাউস আনছারি, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নিহার রঞ্জন সাহা, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাকি তালুকদার, সহ-সভাপতি নকিব সিরাজুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজমল হোসেন, সাংবাদিক আহসানুল করিম, আলী আকবর টুটুল, আজাদুল হক, ইয়ামিন আলী, অলিপ ঘটক, এসএস শোহান প্রমুখ।