বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমিতে নবান্ন উৎসব

রাজেশ গৌড় রাজেশ গৌড়

দুর্গাপুর,নেত্রকোনা

প্রকাশিত: ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৭, ২০২১

রাজেশ গৌড়

আবহমান কাল ধরে বাংলা অগ্রহায়ণ মাস এলেই বাঙালি জাতি উৎসবে মেতে ওঠেন। এরই ধারাবাহিকতায় নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় বিরিশিরি ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমিতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে নবান্ন উৎসব পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নানা আয়োজনে এ উৎসব পালিত হয়।
এ উপলক্ষে একাডেমি মিলনায়তনে ‘‘এসো মিলি সবে-নবান্নের উৎসবে’’ এই প্রতিপাদ্যে আলোচনা সভায় বিরিশিরি ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি‘র পরিচালক গীতিকার সুজন হাজংয়ের সভাপতিত্বে একাডেমির নৃত্য শিক্ষক মালা মার্থা আরেং এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, সুসং সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান, সহকারী অধ্যপক মো. রফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগ সিনিয়র সহ সভাপতি স্বপন সান্যাল, , সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ হক, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার সোহরাব উদ্দিন তালুকদার, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক মণিন্দ্র নাথ মারাক, প্রতিরোধ যোদ্ধা গিলবার্ট চিসিম,এডভোকেট মানেশ চন্দ্র সাহা ,সুসং আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক একেএম ইয়াহিয়া, কবি সাজ্জাদ খান, সুসং সরকারী কলেজের প্রদর্শক শফিউল আলম স্বপন, রফিক, কাউন্সিলর ইব্রাহিম খলিল টিপু প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, নবান্ন উৎসবের সঙ্গে মিশে আছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি। নতুন ধান কাটা আর সেই ধানের প্রথম অন্ন খাওয়াকে কেন্দ্র করে পালিত হয় নবান্ন উৎসব। এ যেন সত্যি হৃদয়ের বন্ধনকে আরও গাঢ় করার উৎসব। নবান্ন হচ্ছে হেমন্তের প্রাণ। কিন্তু বিশ্বায়নের এই যুগে বাংলার ঐতিহ্যগুলো ক্রমশ হারিয়ে যেতে বসেছে। বাঙালি ঐতিহ্য রক্ষায় সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।

পরিশেষে সন্ধ্যায় একাডেমির শিল্পীরা এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে।